দিনাজপুর থেকে মো. আফজাল হোসেন
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এলাকার কালুপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষরা গভীর নলকূপ প্রকল্পের এলাকায় অবৈধভাবে ড্রেন ভাঙন ও পুকুর খননের বিরুদ্ধে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর গত ২৬/০৬/২০২৪ ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মো. রাজু আহম্মেদ। পার্বতীপুর উপজেলার কালুপাড়া গ্রামে মৃত মোজাফ্ফর মণ্ডলের পুত্র মো. রাজু আহম্মেদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কালুপাড়া কৃষক সমবায় সমিতি নামে একটি সরকারি রেজিস্ট্রার সমবায় সমিতি রয়েছে। যাহার রেজি নং-৫৬/৮৭। উক্ত সমবায় সমিতির আওতায় মো. রাজু আহম্মেদ ওই কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে গভীর নলকূপ পরিচালনা করে আসছেন।
গত ২৫/০৬/২০২৪ ইং তারিখে পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউপির কালুপাড়া গ্রামের মৃত মবার উদ্দীনের পুত্র মো. মিজানুর রহমান ও মৃত পওয়াতুল মোল্লার পুত্র মো. আফসার আলী, মো. আফসার আলীর পুত্র মো. মিলন, মৃত্যু নজির উদ্দিন তেলির পুত্র মো. আইয়ুব আলী গংরা গভীর নলকূপটির পাশের্^ পুকুর খননের কারণে গভীর নলকূপের ঘরটি ভেঙে পড়ে যাচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি আফসার আলীকে অবগত করলে তিনি ব্যবস্থা না নিয়ে গভীর নলকূপের ঘরটি সরিয়ে নেয়ার কথা বলেন। মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশে এবং মিলনের নির্দেশে গভীর নলকূপের সেচ ড্রেন তুলে ফেললে এতে সাধারণ কৃষকদের চলতি বছর আমন মৌসুমে সেচ নিতে ব্যাহত হবে।
কালুপাড়া গ্রামে গভীর নলকূপ সাময়িক কমিটির সভাপতি মো. আইয়ুব আলীকে বিষয়টি জানালে গভীর নলকূপির ঘরটি যেহেতু তাদের জায়গায় সে ক্ষেত্রে তারা ঘরটি ভেঙে দিতে পারে। রাজু আহম্মেদ অভিযোগে উল্লেখ করেন গভীর নলকূপটি স্থাপনের আওতার মধ্যে প্রতিপক্ষদের একটি নিজেস্ব শ্যালোমেশিন অগভীর নলককূপ থাকায় তারা চানা গভীর নলকূপটি অকেজো হয়ে থাকে এবং শালোমেশিনের মাধ্যমে কৃষদের সেচ সুবিধা দিতে পারেন।
এতে প্রায় ৪০ জন কৃষক সেচ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। কালুপাড়া কৃষক সমবায় সমিতির সাময়িক পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আইয়ুব আলীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গভীর নলকূপ তারাই পরিচালনা করছিলেন। হিসাব চাইলে তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতির আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারী রাজু আহম্মেদ।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata
